Tuesday , September 21 2021

বেক্সিমকোর তৈরি এক বোতল রেমডিসিভিরের দাম হবে ৬ হাজার টাকা

করোনাভাইরাস প্রতিরোধের ওষুধ রেমডিসিভির বানাচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক বেক্সিমকো। এ বিষয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। রয়টার্সের সুত্রে প্রতিবেদনে বেক্সিমকোকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ওষুধ কোম্পানি হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, এ মাসেই করোনার পরীক্ষামূলক এন্টিভাইরাল ওষুধ রেমডিসিভির উৎপাদনে যাচ্ছে কোম্পানিটি। বেক্সিমকোর তৈরি এক বোতল রেমডিসিভিরের দাম পড়বে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা।

রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেক্সিমকোর চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এইমাসে উৎপাদন শুরু হওয়া ওষুধগুলো প্রাথমিকভাবে দেশীয় চাহিদা মেটানোর জন্যই বাজারে ছাড়া হবে।

তিনি বলেন, আমাদের স্টাডি শেষ হলে বুঝতে পারব একজন রোগীর জন্য ঠিক কতটুকু ওষুধ প্রয়োজন হবে। তবে সরকারের সহযোগিতা পেলে ওষুধটির দাম আরও কমিয়ে আনা সম্ভব।

বেক্সিমকোর এই কর্মকর্তা জানান, তাদের উৎপাদিত রেমডিসিভিরের মূল্য হতে পারে প্রতি বোতল ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা। করোনায় আক্রান্ত একজন রোগীর চিকিৎসায় ৫ থেকে ১১ বোতল রেমডিসিভির লাগতে পারে।

এর আগে মার্কিন কোম্পানি গিলিড সায়েন্সেস কোম্পানির বানানো এই ওষুধ করোনা পরিস্থিতিতে বেশ সাড়া ফেলে। এ নিয়ে নানা বিতর্কের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসন গত সপ্তাহে করোনার ওষুধ হিসেবে রেমডিসিভিরকে অনুমোদন দেয়।

আরো পড়ুন
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার আড়ালে করোনার সংক্রমণ

বার বার উপসর্গ বদলে ভ’য়ঙ্ক’র হচ্ছে করোনা ভাইরাস। ইনফ্লুয়েঞ্জা আর হার্ট অ্যা’টাকের উপসর্গের পর এবার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার ছদ্মবেশে হাজির এ ভাইরাস! একে বিশেষজ্ঞরা ‘গ্যাস্ট্রো-করোনাভাইরাস’ বলে ব্যাখ্যা করছেন। আসুন গ্যাস্ট্রো-করোনা ভাইরাসের উপসর্গগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

১. থেকে থেকেই পেটে ব্যথা, পেট কামড়ানো বা মোচড় দেয়া বা ডায়েরিয়ার মতো সমস্যা এই গ্যাস্ট্রো-করোনাভাইরাসের অন্যতম উপসর্গ।

২. বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পেটে ব্যথা, পেট কামড়ানো বা মোচড় দেয়া, পেট শক্ত হয়ে থাকা সঙ্গে জ্বর- এগুলোই হল গ্যাস্ট্রো করোনা ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণ।

৩. দু’-তিন দিন ধরে পেটে ব্যথা, পেট খারাপের সঙ্গে সঙ্গে জ্বর, কাশির মতো সমস্যাও যদি থাকে, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। গ্যাস্ট্রো-ভাইরাসকে এর উপসর্গগুলার জন্য অনেকে নোরোভাইরাসও বলা হচ্ছে।

চিকিৎসকদের মতে, শারীরিক প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘন ঘন অ্যাসিড কমানোর ওষুধ খেলে তা আদতে ক্ষতিই করে। এর প্রভাবে কোনো ভারী খাবার খেলে অ্যাসিডের অভাবে প্রোটিন হজমে বিঘ্ন ঘটে৷ এছাড়া খাবার নিচে নামার প্রক্রিয়া শ্লথ হয়ে-পেট ভার, খাবার গলায় উঠে আসা, বমি ও বদহজমসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়।

তবে সঠিকভাবে জীবন যাপন করলে গ্যাস্ট্রিক ধারে-কাছে ঘেঁষতেই পারে না। এবার জেনে নিন ওষুধ ছাড়া কীভাবে গ্যাসট্রিক দূর করবেন-

শসা: শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

দই: দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়। ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

পেঁপে: পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম, যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা ও কমলা: কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও কলার সল্যুবল ফাইবারের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা পেট পরিষ্কার রাখতে কাজ করে।

আদা: আদা সব চাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান। দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।

লবঙ্গ: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে লবঙ্গে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর গ্যাসের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। তাই এবার থেকে একটু বেশি মাত্রায় খাবার খাওয়ার পর যদি বুক জ্বালা এবং ঢেকুর ওঠার মতো সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে এক-দুটি লবঙ্গ খেয়ে ফেলতে ভুলবেন না।

মৌরি: মৌরিতে থাকা বিশেষ এক ধরনের তেল পাকস্থলির কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়ক পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজম এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না।

অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরায় উপস্থিত নানাবিধ খনিজ একদিকে যেমন ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, অ্যালোভেরায় উপস্থিত অ্যাসিড, স্টোমাকে তৈরি হওয়া অ্যাসিডের কর্যকারিতা কমিয়ে দেয়। ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

পুদিনা পাতার পানি: এক কাপ পানিতে পাঁচটা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই।

মৌরির পানি: মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি খেলে গ্যাস থাকে না।

রসুন: অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে রসুনের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে এক কোয়া রসুন খেয়ে ফেললেই স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ ঠিক হতে শুরু করে। ফলে গ্যাস-অম্বল সংক্রান্ত নানা লক্ষণ ধীরে ধীরে কমে যেতে শুরু করে।

ডাবের পানি: ডাবের পানি খেলে হজম ক্ষমতা বাড়ে এবং সব খাবার সহজেই হজম হয়ে যায়। এছাড়াও গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় নিয়মিত ডাবের পানি খেলে। তাই সম্ভব হলে প্রতিদিন ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। তাহলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

পাঠকের মন্তব্য:

Check Also

করোনা মহামারি কবে বিদায় নিবে? যা বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

করোনা মহামারি কবে শেষ হবে তা বিশ্ববাসীর হাতেই রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *