Friday , September 24 2021

ঠোঁটের রঙ বদলে যাওয়া সহ করোনায় দেখা দিলো নতুন ১৩টি উপসর্গ!

করোনার আতঙ্কে দেশ এখন লকডাউনে রয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। সঙ্গে বাড়ছে মানুষের মধ্যে ভয়ও। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে তাইতো মানুষ বেশ তৎপর।

তবে করোনা বারবার তার রূপ পাল্টাচ্ছে! ঠাণ্ডা-কাশি, জ্বর, গলা ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট ছাড়াও জানান দিচ্ছে নতুন নতুন উপসর্গের কথা। আবার করোনায় এমন মৃত্যুও ঘটেছে যাদের কোনো উপসর্গই দেখা দেয়নি। সম্প্রতি জাপানের চিকিৎসকরা খুঁজে পেয়েছেন করোনা ভাইরাসের নতুন ১৩টি উপসর্গ। যা জানা ও সচেতন হওয়া জরুরি। চলুন জেনে নেয়া করোনার ১৩টি নতুন উপসর্গগুলো-

> ঠোঁট বেগুনি রঙের হয়ে যাওয়া

> দ্রুত শ্বাস নেয়া

> হঠাৎ দম বন্ধ হয়ে আসার অনুভূতি

> অল্প একটু হাঁটাচলা করাতেই শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

> বুকে ব্যথা

> শুয়ে থাকতে না পারা, উঠে না বসলে শ্বাস নিতে না পারা

> শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

> হঠাৎ শব্দ করে শ্বাস নিতে শুরু করা

> অনিয়মিত নাড়ির স্পন্দন

> মলিন চেহারা

> অদ্ভুত আচরণ করা

> অন্যমনস্কভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া

> বিভ্রান্ত হয়ে যাওয়া, উত্তর দেওয়ায় অপারগতা।

আরো পড়ুন
ভ্যাকসিন এলেও মরবে না করোনা ভাইরাস

নভেল করো’না ভাই’রাসের ভ্যা’কসিন তৈরি করা গেলেও এই সং’ক্রামক ব্যাধিটি একেবারে রোধ করা যাবে না বলে সতর্ক করেছেন একজন বিজ্ঞানী, যিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যাক’সিন প্রজেক্টে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন।

বৈশ্বিক ম’হামা’রি হিসেবে আবির্ভূত নভেল করো’না ভাই’রাসের প্রতিষেধক কিংবা কার্যকর ওষুধ তৈরিতে উঠেপড়ে লেগেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, জার্মানি, জাপানসহ বিভিন্ন দেশ। তবে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন হাজারে হাজারে প্রাণ ছিনিয়ে নেয়া সং’ক্রামক ভাই’রাসটির এখনও কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি।

তার মধ্যেই ডা. ডেভিড নাবারো নামের এই বিজ্ঞানী সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, করো’না ভাই’রাসের মোকাবিলায় কার্যকর কোনো ভ্যাক’সিন নাও আসতে পারে। করো’নার উন্নত চিকিৎসা এলেও এটা সম্পূর্ণ রোধ করা যাবে না বলেই মনে করছেন ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের গ্লোবাল হেলথের এই অধ্যাপক।

সিএনএনকে এক সাক্ষাৎকারে ড. ডেভিড বলছেন, ‘এমন অনেক ভাই’রাস রয়েছে যার প্রতিরোধে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো ভ্যাক’সিন আবিষ্কার করতে পারিনি। আমরা আসলে নিশ্চিতভাবে বলতেও পারছি না যে করো’না ভা’ইরাসের আদৌ একটি ভ্যাক’সিন আসবে। আর সব ধরনের ট্রায়াল ও নিরাপত্তার মধ্যে দিয়েই সেই ভ্যা’কসিন আমরা পাবো তাও বলা যাচ্ছে না।’

‘হয়তো করো’নার উন্নত চিকিৎসা আসবে কিন্তু এটা সম্পূর্ণ রোধ করা যাবে না। বিশ্বজুড়ে প্রতিবছরই করো’না প্রাদুর্ভাব থেকে যাবে। আর এতে মৃ’ত্যুও ঘটবে। যে কারণে লকডাউন জোরদার করা আবার শিথিল করার বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে হওয়া উচিত’- যোগ করেন ড. ডেভিড।

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের গ্লোবাল হেলথের এই অধ্যাপক মনে করছেন, একটি ভ্যা’কসিন মূলত দুইটি স্ট্রেইনকে প্রতিরো’ধ করতে পারে। কিন্তু এর মধ্যে করো’নার অনেকগুলো স্ট্রেইন পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। এর সবগুলো স্ট্রেইন প্রতিরো’ধ করা হয়তো একটি ভ্যাক’সিনের পক্ষে সম্ভব হবে না। আবার সেই ভ্যাক’সিন বাণিজ্যিকভাবে সহজলভ্য নাও হতে পারে।

এদিকে এই বছরের শেষের দিকে নভেল করো’না ভাই’রাসের ভ্যাক’সিন প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা দেখালেও তার প্রতিক্রিয়ায় জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনস স্পান করো’না ভাই’রাসের একটি ভ্যা’কসিন প্রস্তুত করতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন।

পাঠকের মন্তব্য:

Check Also

করোনা মহামারি কবে বিদায় নিবে? যা বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

করোনা মহামারি কবে শেষ হবে তা বিশ্ববাসীর হাতেই রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *