দেশে বছরের শেষ ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

চলতি বছরে আরও একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে। এটিই হতে পারে বছরের শেষ ঘূর্ণিঝড়। আগামী ৭ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের আন্দামান ও নিকোবার দ্বীপপুঞ্জের কাছে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এটি নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আঘাত হানতে পারে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম থেকে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের মধ্যবর্তী যে কোনো স্থানে।

আমেরিকার আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেলের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। তিনি বলেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে ম্যানদৌস। নামটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দেওয়া। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং যে স্থানে সৃষ্টি হয়েছিল সম্ভাব্য এ ঝড়টিও প্রায় একই স্থানে সৃষ্টি হতে পারে।

আগামী ৭ থেকে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি এবং ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে বলে জানান তিনি। তিনি আরও জানান, স্থলভাগে আঘাত করার স্থানটি পুরোপুরি নির্ভর করবে ভারতীয় উপমহাদেশের ঊর্ধ্বাকাশের পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত জেট স্ট্রিমের অবস্থান এবং এর মধ্যে অবস্থিত বাতাসের শক্তির ওপরে।

আবহাওয়াবিদরা জানান, সাধারণত নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়। কিন্তু অক্টোবরে সিত্রাংয়ের কারণে সমুদ্রে সঞ্চিত শক্তি ক্ষয় হয়ে যায়। এর ফলে নভেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ বঙ্গোপসাগর শান্ত ছিল। সিত্রাংয়ের পর বঙ্গোপসাগরে নতুন করে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জমা হতে সময় লেগেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, আবহাওয়ার বিভিন্ন গাণিতিক মডেল ব্যবহার করে তারা ধারণা করছেন লঘুচাপটি সৃষ্টি হতে পারে। তবে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে কিনা, তা নিশ্চিত হতে আরও কিছু দিন লাগবে।

পাঠকের মন্তব্য:

Check Also

ইডেন কলেজ ছাত্রীকে বিয়ে করলেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জয়

এবার বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *