Friday , December 3 2021

দুই স্ত্রীর কাছে ৩ দিন করে থাকবে স্বামী, আর একদিন ‘অফ ডে’!

প্রকাশ্যে এল এক অদ্ভুত ঘটনা।

এক পুরুষের দুই স্ত্রী হাজির। তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিচ্ছেন স্বামীকে। তারাই ঠিক করে দিলেন, কার সঙ্গে কতদিন থাকবে স্বামী। ঝাড়খণ্ডেররাঁচীতে এই ঘটনা ঘটেছে। দুই মহিলা চাইছেন তিনদিন করে প্রত্যেকের কাছে থাকুক স্বামী।

এমনকি স্বামীকে একটা ‘ডে অফ’ও দিচ্ছে স্ত্রী’রা। স্বাভাবিকভাবেই এই মামলায় অবাক হয়েছেন সবাই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সুত্রে জানা যায়, ব্যক্তির নাম রাজেশ। তাঁর দুই স্ত্রী।কিন্তু, সময় কাটানো নিয়ে দুই স্ত্রী’র মধ্যে ঝামেলা তৈরি হওয়াতেই সমস্যা হয়। পুলিশের কাছে হাজির হয় দু’জনে।

প্রায় প্রত্যেক দিনই থানায় গিয়ে হাজির হচ্ছিল তারা। আর তাতে বেজায় বিপাকে পড়ে পুলিশ। কিছুদিন দ্বিতীয় স্ত্রী ফের হাজির হন থানায়। গিয়ে বলেন, ‘পাঁচ দিন হয়ে গিয়েছে, স্বামী আসেনি। কিছু একটা করুন।’ এরপরই পুলিশ দুই স্ত্রী’কে নিয়ে থানায় আসতে বলে রাজেশকে। পুলিশের উপস্থিতিতেই সমঝোতায় আসে তারা।

পুলিশের সামনেই ঠিক হয়, সপ্তাহের প্রথম তিন দিন প্রথম স্ত্রী’র কাছে থাকবে রাজেশ, পরের তিনদিন থাকবে দ্বিতীয় স্ত্রী’র কাছে। আর এক দিন ‘অফ ডে।’ গত বছরের শেষে একটি ঘটনায় দুই স্ত্রী’র কাছে মার খেয়েছিলেন এক যুবক।মাত্র ২৬ বছরেই দুটো বিয়ে সেরে ফেলেন এক যুবক। থেমে থাকেননি, আরও একটা বিয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন তিনি। এরপরই প্রথম দুই স্ত্রীয়ের কাছে বেধড়ক মার খেলেন তিনি।

আর এই পিটুনি যেখানে সেখানে নয়, একেবারে থানার সামনেই হল। তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরে এই ঘটনা ঘটেছিল। ২০১৬ য় প্রথম বিয়েটি করেন, দিব্যি চলছিল সংসার। তারপর আবার এ বছরে এপ্রিল মাসেও আরেকটি বিয়ে করে ফেলেন।এরপর ফের ম্যাটরিমনিয়াল সাইটে দিয়ে দিয়েছিলেন নিজের ছবি। কারণ আরও এক মহিলাকে বিয়ে করতে চান তিনি। ঘটনার কথা জানার পর থেকেই , তাঁর প্রথম দুই স্ত্রী বারবার তাঁর অফিসের সামনে অনশনে য় বসছিলেন।

শেষ পর্যন্ত পুলিশ গিয়ে সেই অনশন তোলে, দুই স্ত্রী এবং অভিযুক্ত যুবককে থানায় ডাকেন।থানার সামনে পৌঁছে, দুই স্ত্রী এবং তাঁদের পরিজনরা ওই যুবকের উপর গুছিয়ে হাতের সুখ করে নেন।

পাঠকের মন্তব্য:

Check Also

জীবনের এই পাঁচটি ক্ষেত্রে মুখ না খোলাই ভালো

জীবনের এই পাঁচটি ক্ষেত্রে মুখ না খোলাই ভালো। একথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

কথায় বলে “বোবার কোন শত্রু নেই”, একথা আমরা ছোট থেকেই বড়দের মুখে শুনে এসেছি। যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *