Tuesday , September 21 2021

আল্লাহ আমাকে যেন আরেকটি মিন্নির হাত থেকে রক্ষা করেছেন: যুবলীগ নেতা

সব মানুষের মধ্যেই প্রেম আছে। প্রেম ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। আমার মধ্যেও প্রেম ছিল। প্রেমের সম্পর্ক করে ভালোবেসে একটি মেয়েকে বিয়ে করেছিলাম। আজ চার বছরের সংসার জীবনের সমাপ্তি ঘটল। আল্লাহ আমাকে আরেকটি মিন্নির হাত থেকে রক্ষা করেছেন। কথাগুলো বলেছেন মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়ন যুবলীগের সহ সম্পাদক অমিত রাজ।

দাম্পত্য জীবনে কলহের জের ধরে শনিবার (২১ আগস্ট) তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়। এ ঘটনার পর অমিত রাজের বৃদ্ধ দাদী মনোয়ারা বেগম অমিত রাজকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়েছেন। এ খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

অমিত রাজ মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামের মৃত মজিবুর রহমান ছেলে। তার তিন বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, অমিত রাজ গত চার বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক করে সখিপুর উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের রাজাবাড়ি গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়েকে বিয়ে করেন। বিয়ের এক বছর পর তাদের ঘরে আরিয়ান রহমান চাঁদের জন্ম হয়।

অমিত রাজ জানান, বিয়ের পর থেকে তাদের সংসারে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। তিনি বিষয়টি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

এর মধ্যে তার স্ত্রী একটি ছেলের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। গত তিন মাস আগে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে অমিত মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। কিছু দিন তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে এসে উল্টো অমিত রাজ ও তার পরিবারের নামে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের কাছে নির্যাতনের অভিযোগ করেন। বিষয়টি ডিবি পুলিশ তদন্ত করেন।

ডিবি পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা একাধিকবার তাদের নিয়ে বৈঠক করেন। সমাধান না হওয়ায় শনিবার (২১ আগস্ট) পুনরায় টাঙ্গাইল ডিবি অফিসে উভয় পক্ষকে নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা সমাধানের চেষ্টা করেন। দুজনের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় তিন লাখ টাকার বিনিময়ে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়।

পরে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের ডিভোর্স হয়। এরপর শিশুপুত্র আরিয়ান রহমান চাঁদকে তার কাছে বুঝে নেন।

এদিকে ডিভোর্সের পর যুবলীগ নেতা অমিত রাজ বাড়ি ফিরলে তার বৃদ্ধ দাদী মনোয়ারা বেগম দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ঘরে তুলেন। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

যুবলীগ নেতা অমিত রাজ জানান, প্রেমের সম্পর্ক করে ভালোবেসে বিয়ে করলেও সুখী হতে পারেননি। আল্লাহ আমাকে রহম করে আরেকটি মিন্নির হাত থেকে রক্ষা করেছেন। অমিত তার শিশুপুত্রের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

পাঠকের মন্তব্য:

Check Also

বাচ্চা নষ্ট করার চেষ্টা, রীতিমতো ৬ ঘন্টা যু্দ্ধ করে নারীকে বাঁচাতে সফল চিকিৎসকরা

বাচ্চা নষ্ট করার চেষ্টা, রীতিমতো ৬ ঘন্টা যু্দ্ধ করে নারীকে বাঁচাতে সফল চিকিৎসকরা

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (এসজেডএমসিএইচ) গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক রোগীর জীবন বাঁচানোর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *