Friday , September 24 2021

এক সাথে ৮শ’ হাঁসের মৃত্যুতেই ভেঙ্গে গেলো তরুণ উদ্যোক্তার স্বপ্ন।

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের অবহেলায় ৮শ’ হাঁসের মৃত্যু হয়েছে। এতে ভেঙে গেছে এক তরুণ উদ্যোক্তার স্বপ্ন।

হাঁসের খামার গড়ে বেকারত্ব দূর করার স্বপ্ন দেখছিলেন ওই উপজেলার পলবান্ধা ইউনিয়নের উত্তর সিরাজাবাদ এলাকার আব্দুল আওয়াল খান জিন্নাত।

জানা গেছে, চার মাস আগে নেত্রকোনার সরকারি হাঁসের ফার্ম থেকে ১০২৫টি বেইজিং জাতের হাঁসের বাচ্চা নিয়ে এসে খামার গড়ে তোলেন জিন্নাত। খামারে পর্যাপ্ত যত্ন ও পরিচর্যায় বাচ্চাগুলো বেশ বড় হয়ে ওঠে। হাঁসগুলোর বয়স চার মাস ১০ দিন। আর মাত্র ১৫-১৬ দিন পরই হাঁসগুলো ডিম পাড়তে শুরু করবে।

তরুণ উদ্যোক্তা জিন্নাত জানান, রোববার রাতে ৩-৪টি হাঁস অসুস্থ হয়ে মারা যায়। সোমবার সকালে একটি মরা হাঁস নিয়ে উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন আব্দুল আলিমের কাছে যান। ডাক্তার ওষুধ লিখে দেন। সেই মোতাবেক ওষুধ খাওয়ানোর পর পুরো খামারে মড়ক শুরু হয়। সোমবার সন্ধ্যায় মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে হাঁসগুলো একে একে মারা যেতে শুরু করে।

ভুক্তভোগী আব্দুল আওয়াল খান জিন্নাতের অভিযোগ, ওষুধ খাওয়ানোর পর হাঁসগুলো মারা যেতে শুরু করে- পুনরায় ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে খামারে যাননি।

জিন্নাত বলেন, আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। খামার গড়ে তোলার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের কেউ খোঁজখবর নেয়নি। ঠিকমতো চিকিৎসা দেয়নি। হাঁসগুলোর মৃত্যুতে আমার চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আব্দুল আলিম বলেন, আমি হাঁসের জন্য ওষুধ লিখে দিয়েছিলাম। লকডাউনের কারণে খামারে যেতে পারিনি।

ইসলামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ছানোয়ার হোসেন বলেন, এতগুলো হাঁস মারা যাওয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। হাঁসগুলো কি কারণে মারা গেছে আমি জানি না। আমি আজ ওই খামারির বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেবো।

পাঠকের মন্তব্য:

Check Also

উপজেলা চেয়ারম্যানরা অশিক্ষিত ও থার্ড ক্লাস: ভিপি নুরুল হক নুর

উপজেলা চেয়ারম্যানরা অশিক্ষিত ও থার্ড ক্লাস: ভিপি নুরুল হক নুর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি ও ছাত্র-যুব-শ্রমিক অধিকার পরিষদের সমন্বয়ক নুরুল হক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *